Bangla News Line Logo
bangla fonts
২৯ শ্রাবণ ১৪২৭, বৃহস্পতিবার ১৩ আগস্ট ২০২০, ৩:০২ অপরাহ্ণ
facebook twitter google plus rss
সর্বশেষ
মদনে নৌকাডুবিতে সাত দিনের মধ্যোই রিপোর্ট দেয়া হবে- তদন্ত কমিটি কেন্দুয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় অটোরিক্সা চালক নিহত কেন্দুয়ায় নানা বাড়িতে এসে পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু কেন্দুয়ায় করোনা উপসর্গ নিয়ে কবিরাজের মৃত্যু যেভাবে পালাচ্ছিলেন সাহেদ;তার বিরুদ্ধে যত মামলা

শাহেদকে সাতক্ষীরা সীমান্ত থেকে ধরা হয়েছে: র‍্যাব


নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলানিউজলাইন ডটকম:10:55:17 AM07/15/2020


শাহেদকে সাতক্ষীরা সীমান্ত থেকে ধরা হয়েছে: র‍্যাব

করোনা টেস্টের ভুয়া রিপোর্ট প্রদান, অর্থ আত্মসাতসহ প্রতারণার মামলায় বহুল আলোচিত রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। বুধবার ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে সাতক্ষীরার দেবহাটা থানার সাকারবাজারের পাশে অবস্থিত লাবন্যবতি এলাকা থেকে অবৈধ অস্ত্রসহ তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‌্যাবের লিগ্যাল ও মিডিয়া উইং সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে

র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ বলেন, সীমান্ত দিয়ে সাহেদ ভারতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল। কিছু সময় দেরি হলে তিনি হয়তো পালিয়ে যেতেন। হেলিকপ্টারে করে তাকে ঢাকায় আনা হচ্ছে।

রিজেন্টের বিরুদ্ধে করা মামলায় সাহেদের আগে আরও দশজন গ্রেপ্তার হয়েছেন। তাদের মধ্যে সবশেষ গ্রেপ্তার হয়েছেন রিজেন্ট হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুদ পারভেজ।

বিতর্কিত ব্যবসায়ী সাহেদ সাতক্ষীরারই ছেলে। গত ৬ ও ৭ জুলাই উত্তরার রিজেন্ট হাসপাতাল এবং রিজেন্ট গ্রুপের প্রধান দপ্তরে র‌্যাবের অভিযানের পর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন।

কোভিড-১৯ পরীক্ষার প্রতিবেদন নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ পাওয়ার পর গত ৬ জুলাই রিজেন্ট হাসপাতালের উত্তরা ও মিরপুর শাখায় অভিযান চালায় র‌্যাব। অভিযানে ভুয়া করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট, করোনা চিকিৎসার নামে রোগীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়সহ নানা অনিয়ম উঠে আসে। পরে রোগীদের সরিয়ে রিজেন্টের উত্তরা ও মিরপুর শাখা সিলগালা করে দেয়া হয়। গ্রেপ্তার করা হয় আটজনকে।

৭ জুলাই করোনা পরীক্ষা না করেই সার্টিফিকেট প্রদানসহ বিভিন্ন অভিযোগে রিজেন্ট হাসপাতালের বিরুদ্ধে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করে র‌্যাব। মামলায় রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. সাহেদকে প্রধান আসামি করে ১৭ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। প্রধান আসামিসহ ৯ জন আসামিকে পলাতক দেখিয়ে এজাহারে অন্তর্ভুক্ত করা হয় তখন।

আসামিরা হলেন রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুদ পারভেজ, রিজেন্ট হাসপাতালের কর্মী তরিকুল ইসলাম, আবদুর রশিদ খান জুয়েল, মো. শিমুল পারভেজ, দীপায়ন বসু, আইটি কর্মকর্তা মাহবুব, সৈকত, পলাশ, প্রশাসনিক কর্মকর্তা আহসান হাবীব (১), হেলথ টেকনিশিয়ান আহসান হাবীব (২), হেলথ টেকনোলজিস্ট হাতিম আলী, অভ্যর্থনাকারী কামরুল ইসলাম, রিজেন্ট গ্রুপের প্রকল্প প্রশাসক মো. রাকিবুল ইসলাম, রিজেন্ট গ্রুপের মানবসম্পদ কর্মকর্তা অমিত বণিক, রিজেন্ট গ্রুপের গাড়িচালক আবদুস সালাম ও নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুর রশিদ খান।

মামলার পর গত বৃহস্পতিবার রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান সাহেদের প্রধান সহযোগী তারেক শিবলী গ্রেপ্তার করা হয়। হেফাজতে নেয়া হয় টিভি নাটকের অন্যতম প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘টেলিহোম’র প্রধান ও সাহেদের ভায়রা মোহাম্মদ আলী বশিরকে।

বৃহস্পতিবার প্রতারণা মামলার প্রধান আসামি সাহেদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করে একটি চিঠি ইমিগ্রেশন পুলিশে দেয়া হয়। ইমিগ্রেশনকে দেয়া চিঠি পুলিশ উল্লেখ করে, ‘প্রতারণা মামলার আসামি সাহেদের বিরুদ্ধে মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তিনি যেন দেশের বাইরে যেতে না পারেন সে বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে বলা হচ্ছে’।

বাংলানিউজ লাইন.কম এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আপনার মন্তব্য লিখুন: