Bangla News Line Logo
bangla fonts
১০ অগ্রাহায়ণ ১৪২৭, মঙ্গলবার ২৪ নভেম্বর ২০২০, ৩:৫০ অপরাহ্ণ
facebook twitter google plus rss
সর্বশেষ
হুমায়ূন আহমেদের ৭২তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন সাম্প্রদায়িক সহিংসতা বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ চাই- শ্যামলেন্দু পাল গৃহহীনদের জমি দানের ঘোষণা সাংসদ রেবেকার নেত্রকোণায় ধনু নদীতে অবৈধ পন্থায় মাছ আহরণ, জাল জব্দ নেত্রকোণায় বঙ্গবন্ধু কল্যাণ পরিষদের নতুন নেতৃত্বের সভা

‘প্লাস্টিকের গ্রহে’ পরিণত হচ্ছে পৃথিবী


নিউজডেস্ক, বাংলানিউজলাইন ডটকম


‘প্লাস্টিকের গ্রহে’ পরিণত হচ্ছে পৃথিবী

দিনে দিনে আমাদের বাসযোগ্য পৃথিবী প্লাস্টিকের গ্রহে পরিণত হচ্ছে বলে দাবি মার্কিন বিজ্ঞানীদের। প্লাস্টিকের অধিক উৎপাদন এবং খোলা প্রকৃতিতে এর দ্রুত ছড়িয়ে পড়া বাড়ছে আশংকাজনক হারে। যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞানীদের হিসাব অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত উৎপাদিত প্লাস্টিকের পরিমাণ ৮.৩ বিলিয়ন টন। আর তাদের হিসাবে ২০৫০ সাল নাগাদ প্লাস্টিকের পরিমাণ দাঁড়াবে ১২ বিলিয়ন টনে।

স্থায়িত্ব এবং উপযোগিতার কারণে ইস্পাত, সিমেন্ট এবং ইটের পরেই প্লাস্টিকের উৎপাদন হার সবচেয়ে বেশি। আর সেই সংখ্যাটি হলো ৮.৩ বিলিয়ন টন। যা কিনা নিউ ইয়র্কের ২৫ হাজার এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিংয়ের সমান। অথবা সাড়ে সাত টন ওজনের একশো কোটি হাতির সমপরিমাণ। আর এই বিশাল পরিমাণ উৎপাদিত প্লাস্টিকের প্রায় ৭৯ শতাংশই ছড়িয়ে পড়েছে খোলা প্রকৃতিতে। প্লাস্টিক বর্জ্যে দিনে দিনে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পরিবেশ।

ড. রোল্যান্ড গেয়ার নামের এক বিশেষজ্ঞ বলেন, এই পৃথিবী খুব দ্রুতই পরিণত হবে একটি প্লাস্টিকের তৈরি গ্রহে। আর যদি আমরা এমনটা না চাই, তাহলে বিশেষ করে প্লাস্টিকের তৈরি জিনিস ব্যবহারে এখনই সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

সম্প্রতি ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার একদল ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইকোলজিস্ট প্লাস্টিকের উৎপাদন এবং ব্যবহার ও দূষণ সম্পর্কে একটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছেন। সেখানে দেখা যাচ্ছে, এই বিপুল পরিমাণ প্লাস্টিক পণ্যের অন্তত অর্ধেক উৎপাদন হয়েছে গত ১৩ বছরে।

বাতিল প্লাস্টিকের পুনর্ব্যবহার হয়েছে শতকরা মাত্র নয় ভাগ। ১২শতাংশকে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে আর বাকিটা ছড়িয়ে পড়েছে প্রকৃতিতে। আশংকাজনক হারে ছড়িয়েছে সাগর মহাসাগরে। গবেষণা দেখা গেছে যে, ২০১৪ সালে রিসাইক্লিং বা পুনর্ব্যবহারযোগ্য হার ইউরোপে ছিল শতকরা ৩০ভাগ। সবচেয়ে কম রিসাইক্লিং হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে, মাত্র নয় শতাংশ। আর এই অধিকহারে উৎপাদন শুরু হয় ১৯৫০ সালের দিকে।

যেহেতু প্লাস্টিক পণ্য পচনশীল নয়, তাই বিশেষজ্ঞদের মতে এটিকে অত্যন্ত তাপ প্রয়োগ করে নিঃশেষ করে দেয়া দরকার। কিন্তু তারচেয়েও বেশি জরুরি প্লাস্টিকের সঠিক প্রয়োজন নিরুপণ করে তারপর এর উৎপাদনে যাওয়া। আর এর জন্যে দরকার একটি সমন্বিত আলোচনা।

 

বাংলানিউজ লাইন.কম এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আপনার মন্তব্য লিখুন: