Bangla News Line Logo
bangla fonts
৪ ভাদ্র ১৪২৬, সোমবার ১৯ আগস্ট ২০১৯, ২:৪৩ অপরাহ্ণ
facebook twitter google plus rss
সর্বশেষ
জানিয়ার চর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নানা অনিয়মের অভিযোগ নেত্রকোণায় পানিতে ডুবে বৃদ্ধের মৃত্যু কেন্দুয়ায় জমি চাষের সময় বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু কেন্দুয়ায় বিলে বেড়াতে গিয়ে নৌকা ডুবে শিশুর মৃত্যু নেত্রকোণায় কেরাম খেলা নিয়ে পিটুনিতে যুবক নিহত

নেত্রকোণা-সুনামগঞ্জ-পাবনায় বজ্রপাতে বাবা ছেলেসহ নিহত সাত


নিউজ ডেস্ক, বাংলানিউজলাইন ডটকম:5:21:14 PM07/13/2019


নেত্রকোণা-সুনামগঞ্জ-পাবনায় বজ্রপাতে বাবা ছেলেসহ নিহত সাত

নেত্রকোণা, সুনামগঞ্জ ও পাবনা জেলায় বজ্রপাতে বাবা, ছেলেসহ সাতজন নিহত হয়েছেন।শনিবার  এসব ঘটনা হয়েছে। প্রতিনিধিদের পাঠানো  খবর ।

 নেত্রকোণা: গরুকে ঘাস খাওয়ানোর জন্য মাঠে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে এক তরুণ নিহত হয়েছেন।

 জেলার কলমাকান্দা উপজেলার রংছাতি ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য মোজাম্মেল হক জানান, শনিবার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে বজ্রপাতের এ ঘটনা ঘটে।

নিহত এনামুল হক (২২) ওই ইউনিয়নের সন্ন্যাসীপাড়া গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে।

ইউইপ সদস্য মোজাম্মেল হক বলেন, সকালে গরুকে ঘাস খাওয়াতে মাঠে নিয়ে যাচ্ছিলেন এনামুল হক। পথে বজ্রপাতে গুরুতর আহত হন তিনি। স্থানীয়রা তাকে কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

সুনামগঞ্জে:  তাহিরপুর উপজেলায় মাছের খামারে বজ্রপাতে বাবা-ছেলে নিহত হয়েছে।

তাহিরপুর থানার এসআই রাপি আহমদ জানান, শনিবার সকাল সাড়ে ৯টায় উপজেলার দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়নের মানিকখিলা গ্রামে বজ্রপাতের এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন ওই গ্রামের নিয়াজ আলী ছেলে খামার মালিক হারিদুল ইসলাম (৪৭) ও হারিদুলের ছেলে তারা মিয়া (১২)।

স্থানীয়রা জানান, হারিদুল ছেলেকে নিয়ে বাড়ির পাশে তার চিংড়ির খামার দেখতে গিয়েছিলেন। এ সময় খামারে বজ্রপাত হলে তারা ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

এসআই রাপি বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। অভিযোগ না থাকায় লাশ স্বজনদের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।

পাবনা: বেড়া উপজেলায় পাট জাগ দেওয়ার সময় বজ্রপাতে দুই ছেলে ও বাবাসহ চারজন নিহত হয়েছেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আফিফ আনান সিদ্দিকী জানান, চাকলা ইউনিয়নের পাচুরিয়া গ্রামে শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বজ্রপাতের এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন ওই গ্রামের জুয়েল সরদারের ছেলে মোতালেব সরদার (৫৫), মোতালেবের দুই ছেলে ফরিদ উদ্দিন (২২), শরিফ উদ্দিন ও একই গ্রামের ফকির উদ্দিনের ছেলে রহম আলী (৫৫)।

ইউএনও আফিফ স্থানীয়দের বরাতে বলেন, তারা নিজেদের বাড়ির পাশের একটি ডোবায় বৃষ্টির মধ্যে পাট জাগ দেওয়ার কাজ করছিলেন। এ সময় বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই চারজন নিহত হন। এ ঘটনায় ওই এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

চাকলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ফারুক হোসেন বলেন, “এটি খুবই মর্মান্তিক একটি ঘটনা। পাচুরিয়া গ্রামের মোতালেব, তার দুই ছেলে ফরিদ ও শরিফসহ মোট চারজন বজ্রপাতে মারা গেছেন। আমি ঘটনাস্থলে যাব। কিন্তু প্রচণ্ড বৃষ্টিতে বের হতে পারছি না। বৃষ্টি কমলেই আমি রওনা হব।”

 

 

বাংলানিউজ লাইন.কম এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আপনার মন্তব্য লিখুন: