Bangla News Line Logo
bangla fonts
২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, শুক্রবার ০৫ জুন ২০২০, ১:৫৮ পূর্বাহ্ণ
facebook twitter google plus rss
সর্বশেষ
পূর্বধলায় মাহেন্দ্র ট্রাক্টর-অটোরিক্সার সংঘর্ষে নিহত-১,আহত ৫ করোনা পরিস্থিতি : নেত্রকোণায় ৩২ জনকে তিন লাখ টাকা জরিমানা নেত্রকোণায় চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মীসহ ৬ জন করোনায় শনাক্ত নেত্রকোণায় ব্যাংকারসহ ২০ জন করোনায় শনাক্ত নেত্রকোণায় ফেসবুক হ্যাক করে চাদাঁবাজি চক্রের একজন আটক

নেত্রকোণায় মানা হচ্ছে না সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং, বাড়ছে ঝুঁকি


নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলানিউজলাইন ডটকম:8:24:06 PM03/27/2020


নেত্রকোণায় মানা হচ্ছে না সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং, বাড়ছে ঝুঁকি

করোনাভাইরাসে আক্রান্তের শংকার মধ্যেও কাঁচা বাজার ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দোকানগুলোতে মানা হচ্ছেনা সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং।

শুক্রবার সকালে শহরের  আখড়া মোড়, জয়ের বাজারসহ বিভিন্ন সবজির বাজারগুলোতে গাদাগাদি করেই ভীড়ের মধ্যে মানুষদের বেঁচা-কেনা করতে দেখা গেছে।

বিক্রেতা ও ক্রেতারা বলছেন, বাজারে জায়গা কম। তাই বাধ্য হয়েই ভীড়ের মধ্যে ঝুকি নিয়েই পন্য বিক্রি ও কিনছেন তারা। জেলা প্রশাসন বলছে, তারা মাইকিংয়ের মাধ্যমে সচেতনতামুলক প্রচার চালাচ্ছে। একা প্রশাসনের পক্ষে সম্ভব হবেনা। সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। নির্দেশনা মানতে হবে। 

জয়ের বাজারের এক বিক্রেতা বলেন, আজকে যেহেতু শুক্রবার গিরস্থ মানুষ াাইছে। জাগা কম ্েসইজন্যে আরকি। কাঁচা বাজারতো অল্প কিচু সময়। কাচাবাজারতো তিনফুট কিংবা ৫ ফুট দুরে দুরে বসার কোন পরিবেশ নাই। আজকে শুক্রবারতো তাই।

 একই বাজারের  এক ক্রেতা বলেন, ভীড় বেশি। করার কিছুতো নাই আমরার। বাজারতো করতেই হবে।বাজার করতে আসলে ভীড় এড়ায়া চলা যায় না। নিতান্তই প্রয়োজন সাপেক্ষে াাজকে আসতে হইছে আরকি। নিয়মতো মানার মতো পরিস্থিতি নাই। আমরা কিভাবে মানব। বাজার দেখেন দোকান লাহাইছে ঘেষ্যা ঘেষ্যা। দোকান যদি পাতলা পাতলা থাকতো কাষ্টোমারও পাতলা পাতলা দাড়াইয়া কিনতে পারতো। দাড়ায়া কিনার জায়গাই সংকুলান হয়না। নিরুপায় হইয়া আমাদের বাজার করতে হয়।

আরেক ক্রেতা বলেন,  জনগন চলতাছে, আমরাও এভাবে চলতাছি। মাস্ক নাই। গামছা আছে । কথা বলার সময় গামছাটা খুইল্যা কথা কই। ১০জনের কাছেতো ছড়াবে। কিন্তু দেখেনতো পাবলিকতো মানতাছেনা। চতুরকিনারদিয়া পাবলিক ছড়ায়া গেছে কয়জনের মুখে মাস্ক আছে।নিয়ম মানতাছে না। নিয়ম মানলে সঠিকভাবে চরলে ঠিক হইতো।এইযে বাজার বইছে পাশাপাশি । এইটাতো ঠিক না।তাদের জন্যে এইভাবেই আসতে হয় কেনাকাটা করতে হয়।

 জেলা প্রশাসক মঈনউল ইসলাম বলেন, আমরা প্রচার করছি, মাইকিং করছি, যত গণমাধ্যম আছে। এখন মানুষের মধ্যে সচেতনতা হওয়াটা আবশ্যক। এটা শুধু আমাদের প্রচারের উপরই শুধু নির্ভর করবেনা। অন্য যারা আছেন স্থানীয় সুধী সচেতন মহল  সবারই আসলে এগিয়ে আসতে হবে। তাহলেই সোশ্যাল ডিসট্যান্সিংটা কার্যকর হবে।

বাংলানিউজ লাইন.কম এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আপনার মন্তব্য লিখুন: