Bangla News Line Logo
bangla fonts
২১ শ্রাবণ ১৪২৭, বৃহস্পতিবার ০৬ আগস্ট ২০২০, ৭:২৩ পূর্বাহ্ণ
facebook twitter google plus rss
সর্বশেষ
কেন্দুয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় অটোরিক্সা চালক নিহত কেন্দুয়ায় নানা বাড়িতে এসে পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু কেন্দুয়ায় করোনা উপসর্গ নিয়ে কবিরাজের মৃত্যু যেভাবে পালাচ্ছিলেন সাহেদ;তার বিরুদ্ধে যত মামলা শাহেদকে সাতক্ষীরা সীমান্ত থেকে ধরা হয়েছে: র‍্যাব

নেত্রকোণায় বোরো চাষীদের পাশে ছাত্রলীগ নেতা কৌশিক রায়


নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলানিউজলাইন ডটকম:


নেত্রকোণায় বোরো চাষীদের পাশে ছাত্রলীগ নেতা কৌশিক রায়

নেত্রকোণায় বোরো চাষীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন ছাত্রলীগ নেতা কৌশিক রায়।  

বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কর্মীদের সাথে নিয়ে কাস্তে হাতে নেমে পড়েন মাঠে। সদর উপজেলার ঠাকুরাকোণা এলাকায় এক কৃষকের জমির পুরো ধান কেটে বাড়িতে দিয়ে আসেন। ওই কৃষক  আলী উছমানের  জমির ধান পাকলেও শ্রমিকের অভাবে কাটাতে পারছিলেন না।

আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী  হাওরে আগাম বন্যা, প্রচুর বৃষ্টিপাতের মতো দুর্যোগকে সামেন রেখে ৩০ এপ্রিলের মধ্যে হাওরের নিচু জমির ধান কেটে শেষ করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে কৃষি মন্ত্রণালয়। পাশাপাশি আগামী ৭ মে’র মধ্যে হাওরাঞ্চলের পুরো জমির ধান কাটা সম্পন্ন করতে এগোচ্ছে মন্ত্রণালয়টি।

অন্য বছরগুলোতে বোরো মওসুমে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে শ্রমিক এসে ধান কাটেন। কিন্তু এবার করোনা পরিস্থিতিতে শ্রমিকেরা আসতে পারেননি। কিছু শ্রমিক সরকারি ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন জেলা থেকে এসেছেন। তারা বর্তমানে জেলার মদন, মোহনগঞ্জ  ও খালিয়াজুরীতে ধান কাটছেন। এদিকে জেলার সমতল ও পাহাড়ি অঞ্চলেও বোরো ধান কর্তন শুরু হয়েছে।  

এ অবস্থায় জেলা ছাত্রলীগের উপ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক কৌশিক রায় নেত্রকোণা জেলা ছাত্রলীগ ও ঠাকুরাকোণা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের অন্তত ২৫ জন কর্মীর একটি টিম নিয়ে ধান কাটেন মাঠে।

কৌশিক রায় বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কৃষকের পাশে থেকে তাদের ধান কর্তনে সহায়তা করতে দলের নেতা-কর্মীদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।এর পরেই কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নির্দেশ আসে কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে। পাশাপাশি কৃষকেরাও পাকা ধান নিয়ে রয়েছেন  বিপাকে। এ অবস্থায় ঘরে বসে থাকা যায়না। করোনার ঝুকি থাকলেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে এগিয়ে গেছি কৃষকদের পাশে। তাছাড়া বৈশ্বিক মহামারী করোনার কারণে বিশ্বব্যাপী খাদ্য উৎপাদন ব্যহত ও সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়ার বিষয়ে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা ইতোমধ্যেই সতর্কবাণী উচ্চারণ করেছে। কারণে খাদ্য সংকটে পড়তে পারে পুরো বিশ্ব। দেখা দিতে পারে দুর্ভিক্ষও। এর প্রভাব বাংলাদেশেও পড়তে পারে।মন্দার হাত থেকে অর্থনীতিকে রক্ষা করতে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি ও মজুদ বাড়াতে হবে। এ অবস্থায় কোনোভাবেই কৃষকের উৎপাদিত ফসল নষ্ট হতে দেয়া যায়না।

ছাত্রনেতা কৌশিক রায় বলেন, জেলার প্রান্তি চাষীরা এই ফসল ফলাতে  কৃষকেরা সর্বশেষ ঋণ করেও বিনিয়োগ করেন। এ ফসল  সময়মতো ঘরে না তোলা যায় তাহলে কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। একই সাথে সারাদেশে খাদ্যের সংকট সৃষ্টি হতে পারে। এ অবস্থায়, হাওরের ফসল সুষ্ঠুভাবে ঘরে তোলা জরুরি। আর এটি করতে পারলে বাংলাদেশের ধান উৎপাদনে তা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। একই সাথে, নিশ্চিত করবে খাদ্য নিরাপত্তা ।

তিনি বলেন, জেলার একেবারেই অস্বচ্ছল কৃষকদের অগ্রাধিকার দিয়ে এই মওসুমে ধান কেটে সহায়তা দিয়ে যাব।

বাংলানিউজ লাইন.কম এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আপনার মন্তব্য লিখুন: