Bangla News Line Logo
bangla fonts
২৩ অগ্রাহায়ণ ১৪২৬, রবিবার ০৮ ডিসেম্বর ২০১৯, ৯:১৪ পূর্বাহ্ণ
facebook twitter google plus rss
সর্বশেষ
নেত্রকোণায় সাবরেজিষ্ট্রারের বিরুদ্ধে ঘুষ-দুর্ণীতির অভিযোগ অনলাইন পোর্টালের নিবন্ধন আগামী সপ্তাহ থেকে: তথ্যমন্ত্রী নেত্রকোণায় মুক্তিযোদ্ধা দিবসে নানা আয়োজন পূর্বধলায় কিশোরের লাশ উদ্ধার পূর্বধলায় পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

নেত্রকোণায় বন্যা : ত্রাণ বিতরণ শুরু,স্বাস্থ্য কর্মীদের ছুটি বাতিল


নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলানিউজলাইন ডটকম:5:01:26 PM07/12/2019


নেত্রকোণায় বন্যা : ত্রাণ বিতরণ শুরু,স্বাস্থ্য কর্মীদের ছুটি বাতিল

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ের ঢল ও পাঁচদিনের টানা বৃষ্টিতে নেত্রকোণার সীমান্তবর্তী দূর্গাপুর ও কলমাকান্দা উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের প্লাবিত শতাধিক গ্রাম থেকে পানি নেমে যাচ্ছে। তবে এখনও  অর্ধলাখ  মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছেন। আবার বন্যা কবলিত এলাকা থেকে পানি নেমে আরো নীচু এলাকা জেলার বারহাট্রা উপজেলার বাউশি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলের বাড়ি-ঘরে পানি ঢুকেছে। বন্যার্তদের চিকিৎসা সেবা দিতে এলাকার চিকিৎসকসহ স্বাস্থ্য সহকারিদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।

এদিকে দুইদিন ধরে বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদ ভবনসহ উঁচুস্থানে আশ্রয় নেয়া বন্যার্তদের মাঝে শুক্রবার সকাল থেকে ত্রাণ দেয়া শুরু করেছে প্রশাসন।

র্দুগাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা খানম জানান, উপজেলার কাঁকড়গাড়া, বিরিশিরি, গাওকান্দিয়া ও কুল্লাগড়া ইউনিয়নে পানি ঢুকে প্লাবিত হয়েছে। এখন পানি নামতে শুরু করেছে। দুইশোর মতো পরিবার বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছে। তাদের মাঝে সকাল থেকে ত্রাণ পৌছে দেয়া হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করা হচ্ছে। তাদেরকে সহায়তা দেয়া হবে জানান তিনি।

কলমাকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) রুয়েল সাংমা বলেন, সকাল থেকে উপজেলার বেশি বন্যা কবলিত এলাকা খারনৈ, নাজিরপুরসহ অন্য এলাকাগুলোতে স্বেচ্ছাসেবক, জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে প্রশাসন ত্রাণ বিতরণ করছে। এখন বৃষ্টি কমেছে। আকাশ এখনও মেঘলা রয়েছে। আর বৃষ্টি না হলে পানি আর বাড়বে না। ধীরে ধীরে পানি নেমে যাচ্ছে বলেন তিনি।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো: আরিফুল ইসলাম বলেন, আজ আর বৃষ্টি না হওয়ায় বন্যায় প্লাবিত এলাকা থেকে ধীরে ধীরে পানি নেমে যাচ্ছে। এ নাগাদ দুর্গাপুরের ৪ টি ইউনিয়ন, কলমাকান্দা উপজেলার ৮ টি ইউনিয়ন ও বারহাট্রার একটি ইউনিয়ন প্লাবিত হওয়ায় মানুষের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।  তবে জেলা ও স্থানীয় প্রশাসন বন্যার্তদের পাশে দাঁড়িয়েছে। জেলা প্রশাসন থেকে ২০ মেট্রিকটন চাল আর ৬০০ প্যাকেট শুকনো খাবার পাঠানো হয়েছে। আজ সকাল থেকে স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও স্বেচ্ছাসেবকেরা ত্রাণ পৌছে দিচ্ছেন বন্যার্তদের কাছে। তবে পাহাড়ি দুর্গম এলাকায় নৌকাসহ বিভিন্নভাবে ত্রাণ পৌঁছাতে কিছুটা সময় লাগছে। সকাল থেকে তিনি নিজেও বন্যা কবলিত এলাকায় গিয়ে ত্রাণ তৎপরতা চালাচ্ছেন জানিয়ে বলেন, পর্যাপ্ত ত্রাণ রয়েছে। প্রশাসন বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সবার পাশেই থাকবে।

জেলা সিভিল সার্জন তাজুল ইসলাম বলেন, বন্যা কবলিত এলাকায় চিকিৎসা সহায়তার জন্যে সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।  বন্যা কবলিত একেক উপজেলার জন্যে একটি করে মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে।স্থানীয় হাসপাতালের চিকিৎসকসহ স্বাস্থ্যসহকারিদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। বন্যার্তদের স্বাস্থ্যজনিত চিকিৎসাসেবা দিতে জরুরি কিছু ওষুধ দিয়ে স্বাস্থ্যসহকারিদের  এলাকায় রাখা হয়েছে বলেন তিনি।  

বাংলানিউজ লাইন.কম এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আপনার মন্তব্য লিখুন: