Bangla News Line Logo
bangla fonts
২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, শুক্রবার ০৫ জুন ২০২০, ৩:১৩ পূর্বাহ্ণ
facebook twitter google plus rss
সর্বশেষ
পূর্বধলায় মাহেন্দ্র ট্রাক্টর-অটোরিক্সার সংঘর্ষে নিহত-১,আহত ৫ করোনা পরিস্থিতি : নেত্রকোণায় ৩২ জনকে তিন লাখ টাকা জরিমানা নেত্রকোণায় চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মীসহ ৬ জন করোনায় শনাক্ত নেত্রকোণায় ব্যাংকারসহ ২০ জন করোনায় শনাক্ত নেত্রকোণায় ফেসবুক হ্যাক করে চাদাঁবাজি চক্রের একজন আটক

নেত্রকোণায় এখনও বাজারে ভীড়, মানা হচ্ছে না সামাজিক দুরত্ব


সুজন চৌধুরী, বাংলানিউজলাইন ডটকম:7:41:45 PM04/01/2020


নেত্রকোণায় এখনও বাজারে ভীড়, মানা হচ্ছে না সামাজিক দুরত্ব
ছবি: বুধবার সকালে নেত্রকোণা শহরের মাছবাজার এলাকা

(বিশেষ প্রতিবেদন)

করোনাভাইরাসে আক্রান্তের শংকার মধ্যেও কাঁচা বাজার ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দোকানগুলোতে মানা হচ্ছেনা সামাজিক দুরত্ব। ক্রেতা- বিক্রেতারা বলছেন, একান্তই নিরুপায় হয়ে তারা ভীড় ঠেলে বেচাকেনা করছেন। এ অবস্থায় করোনার ঝুকি বাড়লেও প্রশাসনের সচেতনতামুলক প্রচারণা ও কিছু দোকানের সামনে সামাজিক দুরত্বে বৃত্ত একে দিলেও কাজের কাজ তেমন হচ্ছেনা।

বুধবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে নেত্রকোণা শহরের মেছুয়া বাজার এলাকার সবজির পাইকারি ও খুচরা বেচা-কেনার বাজারের গিয়ে দেখা যায় করোনার বর্তমান পরিস্থিতিতে ন্যূনতম এক মিটার দুরত্ব বজায় রেখে কেনা-বেচার সরকারি নির্দেশনা থাকলেও এখানে তা মানার কোন ভ্রæক্ষেপ নেই।
স্থানীয়রা জানান, সকাল ৬টা থেকে এখানে এ রকম ঠাসাঠাসি করে ভীড়ের মধ্যে চলে বেঁচা-কেনা। এভাবেই বাজারের আসা লোকজন ঝুকি নিয়ে ফিরে মিশে যাচ্ছেন যার যার পাড়া, মহল্লায়, গ্রামে ও নিজের বাড়ির লোকজনের সাথে।। রুপচাঁদ নামের একজন কৃষক তার জমির লাউ বেচতে এসেছেন বাজারটিতে। তিনি জানালেন, কাচা সবজি না বেচে উপায় েেনই। ঝুকি থাকলেও নিতান্তই বাধ্য হয়ে এসেছেন।

রুপচাদ মিয়া বলেন, মিষ্টি লাউ নিয়া আসছি।কারণ কেতে লাউ নষ্ট হইয়া যাইতাছেগা।এরপরে নিয়া আসছি বেচ্যা হাইরা পরে বাড়িতে যাইয়াম। ঝুকি, এর পরেও সতর্ক সংকেত সব যতটুকু পারি মাইন্যা চলতাছি। যত সম্বব দুরে থাকতাছি। হয়তো কোন সময় খেয়াল না থাকলে হচ্ছে। তবুৗ খেয়াল সতর্ক থাকার চেষ্টা করতাছি।

একই ভাবে পূর্বধলা থেকে নিজেদের জমির সবজি বেচতে এসেছেন কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বাকি বিল্লাহ খান।
বাকি বিল্লাহ খান বলেন, খুব সস্থায় বিক্রি করে আবার আমরার বাড়িতে ফিরে যেতে হচ্ছে। অবশ্যই ঝুকি। ঝুকি থাকা সত্বেও কিন্তু এখানে আমাদের আসা হচ্ছে। কারণ বিক্রি করা জন্যে। বিক্রি পায় শেষ। এখান থেকে আমাদের উপজেলায় পর্যায়ে যেখানে বাড়ি আছে সেখানে চলে যাব। বাড়ির লোকজনও অবশ্যই ঝুকিতে আছে। বাড়িতে গিয়ে হাত সেভলন সাবান দিয়ে ধুয়ে াামরা আমাদের প্যামিলির সাথে মিশতে পারবো।

ক্রেতারা বলছেন, ঝুকি জেনেও বাড়ির লোকজনের খাবার সংগ্রহে বাধ্য হয়েই কেনাকাটা করতে এসেছেন।

নেত্রকোণা শহরের নিউটাউন ্এলাকার হারুন ওর রশিদ বলেন, সংসারের যায়জামেলার কারণে আাসতে হয়। বাচ্চাকাচ্চা যেহেতু আছে ঘরে বইস্যা তো হাট বাজার করা যায় না। আসতে হয় ঝুকিপূর্ণ নিয়েই।ঘর থেকে বাইরোনি তো নিষেধ । এর পরেও আসিতো জীবনের রিস্ক নিয়া।

জেলা প্রশাসক সামাজিক দুরত্ব বজায়ের বিষয়টি নিশ্চিতে প্রশাসনের পাশাপাশি সুধী সচেতন মহলকে এগিয়ে আসার আহবান জানিয়ে জেলা প্রশাসক মঈনউল ইসলাম বলেন, আমরা প্রচার করছি, মাইকিং করছি, যত গণমাধ্যম আছে। এখন মানুষের মধ্যে সচেতনতা হওয়াটা আবশ্যক। এটা শুধু আমাদের প্রচারের উপরই শুধু নির্ভর করবেনা। অন্য যারা আছেন স্থানীয় সুধী সচেতন মহল সবারই আসলে এগিয়ে াাসতে হবে। তাহলেই সোশ্যাল ডিসট্যান্সিংটা কার্যকর হবে।

 

বাংলানিউজ লাইন.কম এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আপনার মন্তব্য লিখুন: