Bangla News Line Logo
bangla fonts
৩১ ভাদ্র ১৪২৬, সোমবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১২:৩৩ পূর্বাহ্ণ
facebook twitter google plus rss
সর্বশেষ
প্রশাসন সেই নারীর দায়িত্ব নেয়ার পর চিকিৎসা শুরু পূর্বধলায় আলোর ফেরিওয়ালা বিদুৎসংযোগ:১২৬ বাড়ি আলোকিত নেত্রকোণায় বাউল সাধক রশিদ উদ্দিনের স্মরণ উৎসব নেত্রকোণায় দুর্গাপুজা উদযাপনে সভা গাড়ি উল্টে এসপিসহ আহত ৩, গানম্যান নিহত

জীবন যুদ্ধে জয়ী নারী শেফালী হাজং


নিতাই সাহা, বাংলানিউজলাইন ডটকম


জীবন যুদ্ধে জয়ী নারী শেফালী হাজং

পারিবারিক নির্যাতনের বিভীষিকা মোকাবেলা করে, আজ স্বাবলম্বী, জীবন যুদ্ধে জয়ী এক আদিবাসী নারী শেফালী হাজং।
শেফালী হাজং একজন নির্যাতিতা আদিবাসী নারী। এক সন্তান নিয়ে তার সংসার।নেত্রকোণার দুর্গাপুর  উপজেলার চন্ডিগড় ইউনিয়নের ফেচিয়া গ্রামের শিবনাথ হাজং এর কণ্যা শেফালী হাজং। বাবা একজন দরিদ্র কৃষক ছয় বোন এক ভাইয়ের মধ্যে তিনি দ্বিতীয়। এস,এস,সি পাস করার পর তিনি দারিদ্রতার কারণে পনের বছর বয়সে বেসরকারী আন্তর্জাতিক সংস্থা ওয়ার্ল্ড ভিশন কর্তৃক হস্তশিল্প নকশী কাঁথা প্রশিক্ষণে অংশ গ্রহন শেষে দুঃস্থ স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চাকুরীতে যোগদান করেন।
চাকুরীরর পাশাপাশি নিজ বাসায় মহিলাদের নিয়ে হস্তশিল্পের ছোট কারখানা গড়ে তুলেন। নিজস্ব কারখানার পন্যের মুনাফা দিয়ে সকল ভাই বোনদের লেখাপড়ার খরচ চালিয়ে যান। পরবর্তীতে ওয়ার্ল্ড ভিশনে চাকুরীরত অবস্থায় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি। বিয়ের পরেই স্বামী ও শ্বশুড়বাড়ীর লোকজনের ইচ্ছায় চাকুরী ছেড়ে দিতে বাধ্য হন। বিবাহিত জীবন এক বছর অতিবাহিত হওয়ার পর শ্বশুরালয়ের সকলের  চরম নির্যাতনের শিকার হন শেফালী হাজং।  
একজন আদিবাসী নারী হয়ে বাঙ্গালী হিন্দু বিয়ে করায় উভয় সমাজের মধ্যে বিরুপ প্রতিক্রিয়ার শিকার শেফালী । বৃহত্তর সমাজ ও আইনী কাঠামোতে অনেক দেন দরবার করেও তার প্রতিকার মিলেনি। সদ্যজাত শিশুকে নিয়ে পৌর শহরের আমলাপাড়ায় একটি বাসায় ভাড়া থেকে নতুন উদ্যেমে ক্ষুদ্র ও হস্তশিল্প কারখানা গড়ে তুলেন। এবং অনেক মহিলারা এখান থেকে কাজ শেখে আজকে তারাও স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টায় আছেন। তিনি এ পেশায় নিজ উদ্যেমে দক্ষ প্রশিক্ষকের ভূমিকাও পালন করেন এবং স্বচ্ছল জীবন যাপন করছেন। আদিবাসী নারীটি এই সমাজের উদাহরন। তিনি মহিলা বিষয়ক কার্যালয় তথা সরকাররের দৃষ্টিতে পড়ায় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ট জয়িতা নির্বাচিত হয়েছেন, বলে জানিয়েছেন মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রেশমা আক্তার।

জীবন যুদ্ধে জয়ী নারী শেফালী হাজং
পারিবারিক নির্যাতনের বিভীষিকা মোকাবেলা করে, আজ স্বাবলম্বী, জীবন যুদ্ধে জয়ী এক আদিবাসী নারী শেফালী হাজং।
শেফালী হাজং একজন নির্যাতিতা আদিবাসী নারী। এক সন্তান নিয়ে তার সংসার।নেত্রকোণার দুর্গাপুর  উপজেলার চন্ডিগড় ইউনিয়নের ফেচিয়া গ্রামের শিবনাথ হাজং এর কণ্যা শেফালী হাজং। বাবা একজন দরিদ্র কৃষক ছয় বোন এক ভাইয়ের মধ্যে তিনি দ্বিতীয়। এস,এস,সি পাস করার পর তিনি দারিদ্রতার কারণে পনের বছর বয়সে বেসরকারী আন্তর্জাতিক সংস্থা ওয়ার্ল্ড ভিশন কর্তৃক হস্তশিল্প নকশী কাঁথা প্রশিক্ষণে অংশ গ্রহন শেষে দুঃস্থ স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চাকুরীতে যোগদান করেন।
চাকুরীরর পাশাপাশি নিজ বাসায় মহিলাদের নিয়ে হস্তশিল্পের ছোট কারখানা গড়ে তুলেন। নিজস্ব কারখানার পন্যের মুনাফা দিয়ে সকল ভাই বোনদের লেখাপড়ার খরচ চালিয়ে যান। পরবর্তীতে ওয়ার্ল্ড ভিশনে চাকুরীরত অবস্থায় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি। বিয়ের পরেই স্বামী ও শ্বশুড়বাড়ীর লোকজনের ইচ্ছায় চাকুরী ছেড়ে দিতে বাধ্য হন। বিবাহিত জীবন এক বছর অতিবাহিত হওয়ার পর শ্বশুরালয়ের সকলের  চরম নির্যাতনের শিকার হন শেফালী হাজং।  
একজন আদিবাসী নারী হয়ে বাঙ্গালী হিন্দু বিয়ে করায় উভয় সমাজের মধ্যে বিরুপ প্রতিক্রিয়ার শিকার শেফালী । বৃহত্তর সমাজ ও আইনী কাঠামোতে অনেক দেন দরবার করেও তার প্রতিকার মিলেনি। সদ্যজাত শিশুকে নিয়ে পৌর শহরের আমলাপাড়ায় একটি বাসায় ভাড়া থেকে নতুন উদ্যেমে ক্ষুদ্র ও হস্তশিল্প কারখানা গড়ে তুলেন। এবং অনেক মহিলারা এখান থেকে কাজ শেখে আজকে তারাও স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টায় আছেন। তিনি এ পেশায় নিজ উদ্যেমে দক্ষ প্রশিক্ষকের ভূমিকাও পালন করেন এবং স্বচ্ছল জীবন যাপন করছেন। আদিবাসী নারীটি এই সমাজের উদাহরন। তিনি মহিলা বিষয়ক কার্যালয় তথা সরকাররের দৃষ্টিতে পড়ায় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ট জয়িতা নির্বাচিত হয়েছেন, বলে জানিয়েছেন মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রেশমা আক্তার।

বাংলানিউজ লাইন.কম এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আপনার মন্তব্য লিখুন: