Bangla News Line Logo
bangla fonts
৩১ ভাদ্র ১৪২৬, সোমবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১২:০৪ পূর্বাহ্ণ
facebook twitter google plus rss
সর্বশেষ
প্রশাসন সেই নারীর দায়িত্ব নেয়ার পর চিকিৎসা শুরু পূর্বধলায় আলোর ফেরিওয়ালা বিদুৎসংযোগ:১২৬ বাড়ি আলোকিত নেত্রকোণায় বাউল সাধক রশিদ উদ্দিনের স্মরণ উৎসব নেত্রকোণায় দুর্গাপুজা উদযাপনে সভা গাড়ি উল্টে এসপিসহ আহত ৩, গানম্যান নিহত

খামারে ঝুঁকছেন ত্রিশালের বেকার যুবকরা


ময়মনসিংহ প্রতিবেদক, বাংলানিউজলাইন ডটকম:21:40:042018-07-26


খামারে ঝুঁকছেন ত্রিশালের বেকার যুবকরা

মুরগী এবং গরুর খামারের পাশাপাশি মাছ চাষ করে ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়েছেন ময়মনসিংহের ত্রিশালের অর্ধশতাধিক শিক্ষিত বেকার যুবক। এক সময় তাদের অভাব অনটনে দিন কাটলেও খামার করে জীবনের পরিবর্তন এনেছেন এসব যুবকরা। খামারীদের এগিয়ে যেতে সহযোগিতার কথা জানালে প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা।
ত্রিশাল উপজেলার মোক্ষপুর ইউনিয়নের কৈতরবাড়ি গ্রামের শিক্ষিত বেকার যুবক নিশান হোসেন ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটাতে ২০০৯ সালে পাড়ি জমান মালদ্বীপ। তিন বছর মালদ্বীপ থাকার পর অবস্থার তেমন পরিবর্তন না ঘটায় বাড়িতে এসে স্বল্প পুঁজিতে মুরগী এবং গরুর খামার শুরু করেন। বর্তমানে তার খামারে ২০টি গরু এবং ৭ হাজার মুরগী রয়েছে। তার প্রতিমাসে আয় হচ্ছে প্রায় দুই লক্ষাধিক টাকা। এভাবে আরো অনেকেই খামার করে স্বাবলম্বী।
নিশান পোল্ট্রি ও ডেইরী ফার্মের পরিচালক নিশান হোসেন বলেন, বাবা মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। অভাব অনটনের সংসারে আমাদের দিন খুব কষ্টের মধ্যে খাটাতে হয়েছে। তখন মুক্তিযোদ্ধার কোন ধরনের ভাতাও ছিল না। বর্তমানে খামার করে আমাদের অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে। তবে রাস্তা-ঘাটের কারনে আমরা সুযোগ সুবিধা পাচ্ছি না। মুরগীর ডিম, গরুর দুধ এবং পুকুরের মাছ বিক্রি করতে আমাদের নানা সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। রাস্তার বেহাল অবস্থায় ১০টাকার মাল ৫টাকায় বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছি। সরকারের কাছে আমাদের দাবি রাস্তা-ঘাট যেন দ্রুত ভাল করে দেয়।  
কৈতরবাড়ি গ্রামের অন্য খামারী মোস্তুফা বলেন, আমাদের গ্রামে অনেকেই খামের উপর নির্ভরশীল। আমার মুরগী খামার এবং মাছের পুকুর রয়েছে। এখান থেকে প্রতি মাসে লক্ষাধিক টাকা আয় হয়। কিন্তু রাস্তার বেহাল অবস্থায় আয়ের অর্ধেক টাকাই মাল নেওয়া আসাতেই খরচ হয়ে যায়। খামার বৃদ্ধিতে স্বল্প সুদে সরকারের ঋণ সহযোগিতা চান মোস্তুফা।
স্থানীয় ফলজ বাগান চাষী রফিকুল ইসলাম বলেন, এক সময় আমাদের এলাকায় অনাবাধি জমিতে কিছুই হতো না। বর্তমানে এলাকার বেকার যুবকরা নিজেদের চেষ্টায় বিভিন্ন ধরনের খামার, পুকুর এবং ফলজ বাগান করে স্বাবলম্বী। তবে এলাকার রাস্তা-ঘাট ভালো হলে কৈতরবাড়ি গ্রাম উন্নয়নের পাশাপাশি পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে।
ত্রিশাল উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা.ওয়াজির আহম্মদ বলেন, ত্রিশাল উপজেলার মোক্ষপুর ইউনিয়নের অর্ধশতাধিক শিক্ষিত বেকার যুবক খামারের সাথে জড়িত রয়েছে। তবে প্রকৃত খামারীদের তালিকা তৈরির কাজ চলছে। তাদের চিকিৎসা সেবায় সহযোগিতা করার পাশাপাশি স্বল্প সুদে ঋণ দেওয়ার ব্যবস্থাও করা হবে।

বাংলানিউজ লাইন.কম এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আপনার মন্তব্য লিখুন: